সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে ফেসবুক, এক্স (টুইটার), এবং টেলিগ্রাম গ্রুপগুলোতে বর্তমানে একটি কিওয়ার্ড ব্যাপকভাবে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে, তা হলো "Sumaiya Syed Link" বা "Sumaiya Saeed Viral Video"। ঢাকার ডিবি পুলিশ কর্তৃক পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এই মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ইন্টারনেটে তার তথাকথিত "লিক ভিডিও" খোঁজার হিড়িক পড়েছে।
কিন্তু একজন সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে এই সেনসেশনাল ট্রেন্ডের পেছনের আসল কারিগরি ও আইনি সত্যটি আপনার জানা জরুরি। এটি কি আসলেই কোনো ব্যক্তিগত লিক, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো সাইবার অপরাধী চক্রের পাতা ফাঁদ? আজকের এই ইনভেস্টিগেটিভ ব্লগে আমরা এই ভাইরাল বিষয়ের প্রতিটি পরত উন্মোচন করব।
সুমাইয়া সাঈদ মূলত বাংলাদেশের একজন ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর, মডেল এবং ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিপুল সংখ্যক ফলোয়ার থাকার সুবাদে তিনি বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন।তবে সম্প্রতি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা (ডিবি পুলিশ) তাকে এবং তার সহযোগীদের পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ এবং তা ইন্টারনেটে অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করে। পুলিশের তদন্তে উঠে আসে যে, সুমাইয়া সাঈদ তার ইনস্টাগ্রাম আইডির মাধ্যমে সাধারণ দর্শকদের আকৃষ্ট করতেন এবং পরবর্তীতে একটি সুনির্দিষ্ট Premium Telegram Channel (প্রিমিয়াম টেলিগ্রাম চ্যানেল) বা সিক্রেট গ্রুপের লিংক শেয়ার করে সেখানে মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন ফি নেওয়ার মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি বিক্রি করতেন। এই অনৈতিক চক্রের সাথে তার পরিবার ও প্রেমিকও জড়িত ছিলেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
সুমাইয়া গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই ইন্টারনেটের ডার্ক-ওয়েব এবং স্প্যামার চক্র অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া কমেন্ট বক্সে এবং ফোরামে "Sumaiya Syed full video link", "সুমাইয়ার ভাইরাল ভিডিও টেলিগ্রাম লিংক" বা "Sumaiya Saeed leak link 2026" ক্যাপশন দিয়ে হাজার হাজার শর্টনার লিংক (Shortened URLs) ছড়ানো হচ্ছে।বাস্তব ফরেনসিক সত্য হলো: এই লিংকের ৯৯% ফাইলই সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। সুমাইয়ার মূল ভিডিওগুলো পেইড বা সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক টেলিগ্রাম চ্যানেলে ইনক্রিপ্টেড থাকায়, সাধারণ পাবলিক ডোমেইনে এগুলো সহজে পাওয়া যায় না। হ্যাকাররা এবং স্ক্যামাররা শুধুমাত্র মানুষের কৌতুহলকে পুঁজি করে নিজেদের সাইটে ভুয়া ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য এবং ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে সাইবার আক্রমণ করার জন্য এই "Sumaiya Syed Link" ট্যাগটি ব্যবহার করছে।
পরিশেষে বলা যায়, সুমাইয়া সাঈদের অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইতিমধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তাই ইন্টারনেটে Sumaiya Syed Link-এর পেছনে ছুটে নিজের ডিজিটাল ডিভাইসের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং ব্যক্তিগত ডাটা ঝুঁকির মুখে ফেলা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সাইবার জগতকে নিরাপদ রাখতে এবং নিজেকে হ্যাকিং ও ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখতে এই ধরণের সস্তা ক্লিকবাইট লিংক থেকে দূরে থাকুন এবং যেকোনো সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টকে সোশ্যাল মিডিয়ায় রিপোর্ট করুন।
জানুন ইন্টারনেটে তোলপাড় সৃষ্টি করা "ভাইরাল ভিডিও লিংক মা ছেলের 24 মিনিট 24 সেকেন্ড"-এর আসল সত্য। এটি কি বাস্তব নাকি হ্যাকিং ফাঁদ? পড়ুন বিস্তারিত ফ্যাক্ট চেক রিপোর্ট।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমকে কাঁপিয়ে দিয়ে বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করছে, তা হলো "ভাইরাল ভিডিও লিংক মা ছেলের 24 মিনিট 24 সেকেন্ড"। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), টেলিগ্রাম গ্রুপ এবং হোয়াটসঅ্যাপ ফরওয়ার্ডে হাজার হাজার অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এই ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের একটি তথাকথিত "পারিবারিক স্ক্যান্ডাল" বা "MMS লিক" ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমকে কাঁপিয়ে দিয়ে বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করছে, তা হলো "ভাইরাল ভিডিও লিংক মা ছেলের 24 মিনিট 24 সেকেন্ড"। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), টেলিগ্রাম গ্রুপ এবং হোয়াটসঅ্যাপ ফরওয়ার্ডে হাজার হাজার অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এই ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের একটি তথাকথিত "পারিবারিক স্ক্যান্ডাল" বা "MMS লিক" ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
কিন্তু একজন সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে এই সেনসেশনাল (Sensational) ক্যাপশনের পেছনের আসল রহস্যটি আপনার জানা জরুরি। এটি কি সত্যিই কোনো বাস্তব ঘটনা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো আন্তর্জাতিক হ্যাকিং চক্রের ব্ল্যাকমেইল ফাঁদ? আজকের এই রয়্যাল ইনভেস্টিগেটিভ আর্টিকেলে আমরা এই ভাইরাল ট্রেন্ডের প্রতিটি পরত উন্মোচন করব।
ডিজিটাল মার্কেটিং এবং সাইবার ক্রাইম সাইকোলজি অনুসারে, হ্যাকার ও স্প্যামাররা সাধারণ মানুষের কৌতুহলকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ফর্মুলা ব্যবহার করে। কোনো ভিডিওর সাথে যখন "মা ছেলের ভাইরাল ভিডিও" এর মতো সামাজিক ট্যাবু (Social Taboo) এবং তার সাথে "24 মিনিট 24 সেকেন্ড"-এর মতো একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা (Timestamp) জুড়ে দেওয়া হয়, তখন সাধারণ নেটিজেনরা সেটিকে অত্যন্ত বাস্তব বা জেনুইন মনে করে বসেন।
এই ভাইরাল ওয়েভের মূল মেকানিজমটি নিচে দেওয়া হলো:
১. টোপ বা ক্লিকবাইট (The Bait): টিকটক বা এক্স প্ল্যাটফর্মে কিছু ভুয়া ও ব্লার (Blurred) ছবি পোস্ট করে বলা হয়, "পুরো ভিডিও কমেন্ট বক্সের লিংকে আছে"।
২.সার্চ ইঞ্জিনে ঝড়: ভিডিওটি দেখার আশায় লাখ লাখ ব্যবহারকারী গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে হুবহু "ভাইরাল ভিডিও লিংক মা ছেলের 24 মিনিট 24 সেকেন্ড" লিখে সার্চ করতে শুরু করেন, যার ফলে কিওয়ার্ডটির ট্রাফিক গ্রাফ রকেটের গতিতে ওপরে উঠে যায়।
৩. স্প্যাম ট্রাফিক জেনারেশন: ব্যবহারকারীদের এই কৌতুহলকে কাজে লাগিয়ে কিছু থার্ড-পার্টি অ্যাড নেটওয়ার্ক ও হ্যাকিং সাইট তাদের পেজে লাখ লাখ ভিউ কামিয়ে নেয়।
গভীর সাইবার ফরেনসিক এবং ওসিন্ট (OSINT - Open Source Intelligence) অনুসন্ধানে এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই ক্যাপশনে ছড়ানো দাবিটি ১০০% ভুয়া, কাল্পনিক এবং একটি পরিকল্পিত ইন্টারনেট হোয়াক্স (Hoax)।
স্ক্রিপ্টেড কমার্শিয়াল কন্টেন্ট: অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হ্যাকাররা যে সমস্ত থাম্বনেইল বা ছোট ক্লিপ ব্যবহার করছে, সেগুলো মূলত বিদেশি কিছু প্রিমিয়াম কমার্শিয়াল অ্যাডাল্ট এন্টারটেইনমেন্ট পোর্টাল থেকে নেওয়া। এগুলো পেশাদার এবং পেইড মডেলদের দ্বারা অভিনীত সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্টেড "রোল-প্লে" (Roleplay) ড্রামা, যার সাথে কোনো বাস্তব মা-ছেলের সম্পর্কের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।
রিসাইকেলড টাইমস্ট্যাম্প ট্রিক: ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ড বা ৫:৪০ মিনিটের মতো সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা একটি চতুর সাইকোলজিক্যাল ট্রিক। এর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। পুরনো বা সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো কন্টেন্টের ওপর এই বিভ্রান্তিকর ক্যাপশনটি লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদমকে ম্যানিপুলেট করা হয়েছে মাত্র।
এই ধরণের সাইটগুলোতে ক্ষতিকারক স্ক্রিপ্ট রান করা থাকে। "Full Video Download" বা "Play Video" বাটনে ক্লিক করলে ব্যাকগ্রাউন্ডে চুপিসারে একটি .apk বা .exe ফাইল আপনার ফোন বা কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়ে যায়। এই ক্ষতিকারক স্পাইওয়্যারটি আপনার গ্যালারির ব্যক্তিগত ছবি, চ্যাট হিস্ট্রি এবং মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের ওটিপি (OTP) সরাসরি হ্যাকারদের সার্ভারে পাচার করে দেয়, যা পরবর্তীতে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
Search Related Tags: ভাইরাল ভিডিও লিংক মা ছেলের 24 মিনিট 24 সেকেন্ড, মা ছেলের ভাইরাল ভিডিও লিংক, 24 মিনিট 24 সেকেন্ড ভাইরাল ভিডিও, viral video link ma cheler 24 minutes
বাংলাদেশের ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে একটি নাম ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করছে, তা হলো "Sumaiya Syed Link" বা "Sumaiya Saeed Viral Video"। ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করার পর থেকে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং এক্স (টুইটার) প্ল্যাটফর্মে তার তথাকথিত "লিক ভিডিও লিংক" শেয়ার করার নামে সাধারণ নেটিজেনদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
সুমাইয়া সাঈদ মূলত ২৫ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও মডেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল ফলোয়ার থাকার সুবাদে তিনি বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে অতি সম্প্রতি, ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিবি) তাকে এবং তার এক সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার করে।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, সুমাইয়া তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপত্তিকর বা প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্ট প্রচার করতেন এবং পরবর্তীতে একটি গোপন Telegram Group (টেলিগ্রাম গ্রুপ) বা চ্যানেলের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সেই সব প্রিমিয়াম ভিডিও ও ছবি বিক্রি করতেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই অনৈতিক ব্যবসায় তার প্রেমিক এবং তার নিজের বাবাও জড়িত ছিলেন এবং লভ্যাংশ ভাগ করে নিতেন বলে পুলিশি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সুমাইয়া সাঈদ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই স্ক্যামার বা হ্যাকার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া কমেন্ট বক্সে "Sumaiya Saeed full video link", "সুমাইয়ার ভাইরাল ভিডিও লিংক" বা "Sumaiya Syed telegram leak" ক্যাপশন দিয়ে হাজার হাজার শর্টনার লিংক (Shortened URLs) ছড়ানো হচ্ছে।
আসল সত্য হলো: এই লিংকের সিংহভাগই ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক ফাঁদ। সুমাইয়ার মূল ভিডিওগুলো পেইড বা সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক টেলিগ্রাম চ্যানেলে সুরক্ষিত থাকায়, সাধারণ পাবলিক ডোমেইনে এগুলো সহজে পাওয়া যায় না। হ্যাকাররা শুধুমাত্র মানুষের কৌতুহলকে পুঁজি করে নিজেদের সাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য এবং ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে আক্রমণ করার জন্য এই ভুয়ো লিংকগুলো ছড়াচ্ছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইতিমধ্যে সুমাইয়া সাঈদ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। একজন সচেতন নাগরিক এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে এই ধরণের ভাইরাল গুজবের পেছনে না ছুটে এবং কোনো অনিরাপদ Sumaiya Syed video link-এ ক্লিক না করে নিজের ডিজিটাল ডিভাইস ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২০২৩ সালে জান্নাত তোহার একটি ভাইরাল ভিডিও রয়েছে যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সাড়া ফেলেছিল। ৩ মিনিটে ২১ সেকেন্ডের এই ভাইরাল ভিডিওটি খুব জনপ্রিয়তা পায়। এই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরেই অনলাইন ব্যবহার কারীদের মধ্যে অনেক সাড়া ফেলেছিল।
বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার জান্নাত তোহার (Jannat Toha) নাম ব্যবহার করে একটি কথিত ভিডিও লিংক ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে। '৩ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ফুল ভিডিও' দাবি করে এই লিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করার চেষ্টা চলছে। তবে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে তীব্র সতর্কবার্তা জারি করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন
ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক ভিডিয়ো ভাইরাল, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী। বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক ভিডিও প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
একটি ভিডিও গত ২৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সমাজের প্রচলিত শালীনতা, নৈতিকতা ও কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মচারী প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন। আদেশের অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পটুয়াখালী এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, কলাপাড়াসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
কুয়াকাটায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও প্রাইভেট শিক্ষক জলিলুর রহমানের একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলিলুর রহমান অফিস সহকারী হলেও তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। পরে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, এর আগেও কয়েকবার তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম বলেন, জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের গুঞ্জন শোনার পর পরই গত সোমবার ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় ৩ মাস আগে টিসি দেয়া হয়েছে।
বাউল শিল্পী ও লোকসংগীত শিল্পী সীমা সরকারকে জড়িয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। ফেসবুক (Facebook), টিকটক (TikTok) এবং গুগলের সার্চ ট্রেন্ডে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে "sima sorkar viral video" এবং "সীমা সরকারের ভাইরাল ভিডিও ৩ মিনিট" কি-ওয়ার্ড দুটি।
তবে তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। শিল্পী সীমা সরকারের কোনো গোপন বা আপত্তিকর ভিডিওর অস্তিত্বই নেই। মূলত সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তীব্র কৌতূহলকে ব্ল্যাকমেইল করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি এবং আইডি হ্যাক করার জন্য আন্তর্জাতিক একটি প্রতারক চক্র এই ডিজিটাল ফাঁদ পেতেছে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে মা ও ছেলের কুরুচিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি ভিডিও আপলোড, শুরুতে বলা যাচ্ছে এই ভিডিওটি একদিন অসহনশীল ভিডিও, ভিডিওটিতে মা তার ছেলেকে বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে স্তন পান করাচ্ছে এবং সেই ভিডিও ক্যামেরায় বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে! এই ভিডিও দেখে সমালোচনা করছে বেশির ভাগ নেতিজেন, এই ভিডিওটি কখনো সাধারণ ভিডিও নয়। কারণ ছেলেটির বয়স ছিল বা ধারণা করা হয় ছয় থেকে সাত বছর এমন ছেলে কে স্তন পান!
এবং সেই ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আপলোড করা এটি আমাদের জন্য কখনো ভালো লক্ষণ নয় যা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না এসব ভিডিও দেখে যখন ভাইরাল হওয়ার নেশা থাকবে তখন এসব খারাপ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে আমাদের সমাজের কূপ স্বভাব ফেলবে!
কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অফিস সহকারী ও প্রাইভেট শিক্ষক জলিলুর রহমানের একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার পর শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি অভিযুক্ত ওই অফিস সহকারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিলুর রহমান পদবিতে অফিস সহকারী হলেও ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। এক পর্যায়ে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের অশ্লীল কর্মকাণ্ডের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বেশ কয়েকবার তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের ঘটনা ঘটেছে।
মা ও ছেলের কুরুচিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড, শুরুতে বলা যাচ্ছে এই ভিডিওটি একদিন অসহনশীল ভিডিও, ভিডিওটিতে মা তার ছেলেকে বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে স্তন পান করাচ্ছে এবং সেই ভিডিও ক্যামেরায় বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে! এই ভিডিও দেখে সমালোচনা করছে বেশির ভাগ নেতিজেন, এই ভিডিওটি কখনো সাধারণ ভিডিও নয়। কারণ ছেলেটির বয়স ছিল বা ধারণা করা হয় ছয় থেকে সাত বছর এমন ছেলে কে স্তন পান!
এবং সেই ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আপলোড করা এটি আমাদের জন্য কখনো ভালো লক্ষণ নয় যা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না এসব ভিডিও দেখে যখন ভাইরাল হওয়ার নেশা থাকবে তখন এসব খারাপ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে আমাদের সমাজের কূপ স্বভাব ফেলবে!
Kuakata Viral Link There is a lot of discussion on social media about Kuakata Viral Video. Many people are looking for details about this topic and the latest updates. If you also want to know reliable information and updates about Kuakata Viral Video, then visit our website regularly.
The latest news, trending topics and information about various events related to viral videos are published on our website in simple language. We try to present information based on reliable sources, so that readers can get accurate information.
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার মধ্যে মা ও ছেলে ভিডিওটি বাংলাদেশের এবং কলকাতায় অনেক বেশি ভাইরাল হয় ভিডিওটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
শুরুতে বলা যাচ্ছে এই ভিডিওটি একদিন অসহনশীল ভিডিও, ভিডিওটিতে মা তার ছেলেকে বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে স্তন পান করাচ্ছে এবং সেই ভিডিও ক্যামেরায় বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে এই ভিডিও দেখে সমালোচনা করছে বেশিরভাগ নির্দেশ ভিডিওটি কখনো সাধারণ ভিডিও নয় কারণ ছেলেটির বয়স ছিল বা ধারণা করা যায় ছয় থেকে সাত বছর এমন ছেলে কে স্তন পান সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আপলোড করা প্রতি কখনো ভালো লক্ষণ নয় যা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না এসব কুরসি ফুল ভিডিও আপলোড করতে আগ্রহ জাগবে।
Copyright © NXTWP All rights reserved.